ছেলে! তোর বুকের উপর
যে নদীটা হেঁটে গেছে;
আমি তার নাম দিয়েছি “অশ্রুনিনাদ”।

উড়ে যাওয়া পাহাড়ের চোখে রাত্রির ক্লেদ,
ধ্যানী বৃক্ষের কাঁধে ঘুমন্ত আকাশ,
তবু তুই এতো ম্রিয়মাণ কি করে বলতো?
যেনো চক্রবলয়ে পুঁতে রেখেছিস
ব্যথাতুর আলোক নিশান,
হুমড়ি খাওয়া ভাগ্যের কপালে এঁকে দিয়েছিস
আগামীর স্থিরচিত্র;

মনে পড়ে? গত বরষায় বৃষ্টি নামের যে মেয়েটি
তোর বুকে আশ্রয় খুঁজেছিল,
এই বরষায় সে পঙ্কিলমেঘ!
তবু হিমালয়ের মতো
তুই অমন নিশ্চল কি করে বলতো?

ছেলে, এবার তুই জেগে উঠ;
ঝরিয়ে ফেল হস্তরেখার অলিখিত আর্তনাদ,
হার না মানা নিয়তির পাশে তুইও হয়ে যা,
জোড়াদীঘির ওপাড়ে ভাসা-
আমার একচিলতে ভরসার আকাশ।

Spread the love

১ Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.