সম্পাদনা ডেস্ক:
ইউরোপে চিকিৎসকদের বলা হয় দ্বিতীয় ঈশ্বর। চিকিৎসকরাও ঠিক সেরকমই রোগিদের আগলে নিয়ে বাঁচিয়ে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করেন। বর্তমানে এই চেষ্টা রীতিমতো যুদ্ধে পরিণত হয়েছে। চিকিৎসকগণ রাতের পর রাত জেগে, ঘর-সংসার ফেলে রেখে সন্তানতুল‍্য রোগিদের বাঁচাতে দিনরাত যুদ্ধ করে যাচ্ছেন করোনার সাথে। যুদ্ধ করতে করতে এক সময় নিজেরাও ঢলে পড়ছেন মৃত‍্যুর মুখে।

তেমনই একজন চিকিৎসক ‘তিনো মরমিনা’। এমএসএতে কর্মরত জরুরী স্বাস্থ্য বিভাগ ১১৮ এর চিকিৎসক (মেদিকো দেল’এমের্জেন্সা সানিতারিয়া তেররিতোরিয়ালে) ‘তিনো মরমিনা’র অন্ত্যোষ্টিক্রিয়া ছিলো আজ।

মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি তাঁর সহকর্মী বন্ধুদের প্রদক্ষিণ করে। তখন ঐ অ্যাম্বুলেন্সে সাইরেন বাজানো হয় এবং তাকে দীর্ঘ প্রশংসাপূর্বক শব্দে “অভিনন্দন” জানিয়ে তার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয়।

বছরের পর বছর কর্মস্থলে অক্লান্ত পরিশ্রম আর ত‍্যাগ, তিতিক্ষার পর আগামী জুন মাসে যার অবসর নেয়ার কথা ছিলো, সেই চিকিৎসক তিনো মরমিনা, কোভিড এর কারণে কর্মস্থল থেকে বিদায় নেয়ার আগে পৃথিবী থেকেই চিরবিদায় নিলেন।

গত বিশদিন আগে তার শরীরে করোনাভাইরাস পজিটিভ আসে এবং এরপর থেকে তার অবস্থার অবনতি হতে থাকে, যা শেষ পর্যন্ত মৃত‍্যুতে গড়ায়। মৃত‍্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৬৯ বছর।

১১৮ র জাতিয় পর্যায়ের চিকিৎসক ইমানুয়েল কোসেন্টিনো বলেন, মাত্র বিশদিনের ব‍্যবধানে করোনা, তিনো মরমিনার মতো এমন একজন বিশেষ, স্নেহপরায়ন এবং অভিজ্ঞ চিকিৎসককে নিয়ে গেলো, যা ১১৮ র কর্মীদের জন‍‍্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published.