মধ‍্যপ্রাচ‍্য II আলামিন সিকদার ইরাজ, নিজস্ব প্রতিবেদক:
ইরানে আজ অন্যতম প্রবীণ সামরিক নেতা জেনারেল কাসেম সোলাইমানির মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে।২০২০সালের ৩ই জানুয়ারি মার্কিন ড্রোন দ্বারা তাকে হত্যা করা হয়। যার ফলশ্রুতিতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি হয়েছিল। সেই সময় দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা করা হয়েছিল।


ওয়াশিংটন সংঘর্ষের আশঙ্কা করে ওই অঞ্চলের পারস্য উপসাগরে সাবমেরিন এবং বোমারু বিমান প্রেরণ করেছিল সে সময়। সোলাইমানির মৃত্যুর পর তার উত্তরাধিকারী সতর্ক করে দিয়েছিল “আমেরিকার সামরিক চাপের জবাব দিতে সদা প্রস্তুত তেহরান”
জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ছিলেন ইরানের সর্বাধিক স্বীকৃত যুদ্ধক্ষেত্রের কমান্ডার। ২০০৩ সালে মার্কিন-ইরান আক্রমণে তার সামান্য পরিচিতি ছিল।


ইরাকে আমেরিকান সৈন্য মৃত্যুর জন্য তাকে দায়ী করা হয়। এছাড়া সিরিয়ায় রাষ্ট্রপতি বাশার আসাদের প্রতি সমর্থন ছিল তার।


২০১৫ সাল-এর পারমাণবিক চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী ইরান, নিষেধাজ্ঞাগুলি প্রত্যাহারের বিনিময়ে তার পারমাণবিক কর্মসূচিতে বড় হ্রাস করতে রাজি হয়েছিল, কিন্তু ২০১৮ সালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হঠাৎ করে পারমাণবিক চুক্তি থেকে সরে আসেন এবং ইরানের উপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করেন। ফলশ্রুতিতে ইরান তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম পুনরায় বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। সমস্ত কার্যক্রমের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন জেনারেল কাশেম সোলাইমানি।


এছাড়া সামরিক ও পারমাণবিক কার্যক্রমে তার দক্ষতা ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। আমেরিকা ও ইসরাইল তাকে তাঁদের বিপদজনক শত্রু হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published.