কবিলা, 

আমি তোমাকে হয়তো পারব না দিতে দামী কোনো শয্যা

তবে তোমায় দিব লোমহীন চওড়া একটি বক্ষ

যাতে তুমি মুখবুজে পেতে পারো ধ্রুবসুখ

কবিলা,

তোমার জন্য কোমল তুলোর উপাধান আমি হয়তো জোগার করতে ব্যর্থ হবো

তবে তোমার মাথা রাখার জন্য আমি পুষ্ট বাহুদ্বয় ন্যস্ত করবো

কবিলা,

তোমাকে হয়তো স্বপ্নের দেশ সুইজারল্যান্ডে মধুচন্দ্রিমায় উড়োজাহাজে নিতে পারব না

তবে তোমার জন্য রাতের ঘুমকে বিদায় জানিয়ে কাব্যমালার আসর সাজিয়ে অণুরণনে ভরাতে পারি তোমার শৈল্পিক মানসপট

কবিলা, 

কণ্ঠাভরণ দেয়ার সামর্থ নেই এই গরীব কবির

তবে তোমার ঐ কণ্ঠের সুরলহরি ও ‘শুনছো’ বলে সম্বোধনকে আমি সকল পাঠকের কাছে পৌঁছাবই অনন্যভাবে

কবিলা, 

সুউচ্চ অট্টালিকার প্রাসাদ তোমায় দিতে পারব না

কোনো এক ঝড়ের রাতে মেঘগর্জনে তুমি আমাকে জড়িয়ে ধরে হতে পার নির্ভয়

কবিলা, তোমাকে শীতল কিংবা গরম পানির ঝর্নার হাম্মামখানা আমি আকিঞ্চন পারব না দিতে

তোমাকে পিঠে নিয়ে পাশের নদীতে সাঁতরাতে পারব আমি দুঃসাহসী প্রেমিক 

কবিলা, 

হয়তো সুস্বাদু খাবার সর্বক্ষণ পাবে না তুমি

মিলে যদি একবেলার খাদ্য, তবে তোমাকে আগে খাইয়ে পরে খাব

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published.