করোনা মহামারির শুরুর দিকে যদিও আঙ্গুল উঠেছিল চীনের দিকে কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একটি বিবৃতিতে বলেছিল, করোনাভাইরাস চীনের কোনো গবেষণাগার থেকে ছড়ায়নি। বর্তমানে চীনের এক ভাইরাস বিশেষজ্ঞের অভিযোগ, করোনাভাইরাসকে ইচ্ছাকৃত ভাবেই পরিবেশে ছড়িয়েছিল বেইজিং।

করোনাভাইরাস II আর্লি-স্টার অনলাইন ডেস্ক:

সর্বভারতীয় একটি ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে চীনের ভাইরাস বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক লে-মেং-ইয়ানের অভিযোগ করেন, বাদুড়, প্যাঙ্গোলিন বা পরিবেশ থেকে অন্য কোনও ভাবে ছড়িয়ে পড়েনি সার্স-কোভ ২ ভাইরাস। তা ছড়িয়ে পড়েছিল চিনের সেনাবাহিনী পিপলস লিবারেশন আর্মি(পিএলএ)-র গবেষণাগার থেকেই। আর জীবাণুযুদ্ধের মহড়া হিসাবে তা ইচ্ছাকৃত ভাবেই ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল পরিবেশে।

তিনি আরও বলেছেন, ‘‘আমেরিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হাতে আসা তথ্যগুলো একদম সঠিক। পুরো বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য বেইজিং এর অপ্রচলিত জীবাণু অস্ত্র ব্যবহারের কর্মসূচি অনেক আগের। কী ভাবে সে জীবাণু অস্ত্র ধাপে ধাপে বানানো যায় এবং ব্যবহার করা যায়, চীন তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কী কী পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়েছে।

গত মার্চে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে আমিও সবিস্তারে তার উল্লেখ করেছি। করোনাভাইরাস গবেষণাগার থেকে ছড়িয়েছে এমনটা রটে গেলে, মানুষকে বিভ্রান্ত করতে কী কী পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন হবে বেজিং তা-ও অনেক আগেই ভেবে রেখেছিল।’’

কিসের ভিত্তিতে এমন অভিযোগ-প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘আমি গত জানুয়ারি থেকেই তথ্যপ্রমাণসহ এসব কথা ইউটিউব চ‍্যানেলে বলে আসছি। আমি এটাও বলেছি যে, এই ভাইরাস আবিষ্কারের জন্য বেইজিং প্রচুর পরিমাণে অর্থবরাদ্দ করেছিল এবং তা ইচ্ছাকৃতভাবেই বাতাসে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, যাতে মানুষের প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে দুর্বল করা, এতে শত্রু দেশগুলির চিকিৎসা ব্যবস্থাকেও নড়বড়ে করে দেওয়া যাবে।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published.