সাইফুদ্দিন শেখ, নিজস্ব প্রতিবেদক:
বুর্জ খলিফা, মক্কা ক্লক টাওয়ার, ওয়াল্ড ট্রেড সেন্টার ইত্যাদি স্থাপনার নাম সুউচ্চ অট্টালিকার কথা ভাবলে সবার আগে মাথায় আসে। এখন অবধি বিশ্বের সবচেয়ে বড় টাওয়ার হলো দুবাইয়ে নান্দনিক বুর্জ খলিফা।

কোনো দেশের আধুনিকায়নে যেমন সুষম উন্নয়ন প্রয়োজন তেমনি মেজর সিটি থাকাও জরুরি, যা দ্বারা শহরকে রিপ্রেজেন্ট করা যায় দেশের বাহিরে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কথা যদি চিন্তা করা হয়, বর্তমানে এটি বিশ্বের বসবাসের অযোগ্য নগরীর মধ্যে একটি। তবে এর আধুনিকায়নে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় মেট্রোরেল, বিআরটি, ফ্লাইওভার নির্মাণ এবং বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের উন্নয়ন প্রভৃতি অবকাঠামো উন্নয়নে যখন বিদ্যমান সমস্যা গুলো নিরসন হবে তখন এই আধুনিকায়ন একটি নিদিষ্ট সিটি হিসেবে তুলে ধরবে আধুনিক ঢাকা সিটিকে।

কোন একটি দেশের অর্থনীতি টেকসই নাকি ভঙ্গুর তাও নির্ভর করে মেগা প্রকল্পের উপর। নতুন কোন বিনিয়োগকারী কিংবা পর্যটক যখন বাংলাদেশ সম্পর্কে জানতে চাইবে তখন এই সকল অবকাঠামো তাদের ভাবনাকে আকৃষ্ট করবে। বর্তমানে হাজারো পর্যটক দুবাইয়ে ভ্রমণ করে বুর্জ খলিফাতে ছবি তুলতে। যুগের পর যুগ ধরে একটি শহরের আবকাঠামো শহরের পরিচয় বহন করে হয়ে উঠে নান্দনিকতা ও আভিজাত্যের প্রতীক।

বাংলাদেশর হাতে নেওয়া এমন একটি মেগা প্রকল্প হল স্বপ্নের ” বঙ্গবন্ধু ট্রাই টাওয়ার ” প্রকল্পটি গড়ে উঠেছে ঢাকার অদূরে পূর্বাচলে। এই প্রকল্পকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠবে একটি স্মার্ট সিটি। প্রকল্পের প্রধান আকর্ষণ ” বঙ্গবন্ধু ট্রাই টাওয়ার ” এ থাকছে ভাষা আন্দোলনের স্বরণে ৫২ তলা, মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বরণে ৭১, এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লিগ্যাসি স্বরণে ১১১ তলা বিল্ডিং। যদিও তিনটি টাওয়ারের চারপাশে ৪৯ তলার আরো ৪০ টি ভবন নির্মাণ করা হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে সিকদার গ্রুপের সিস্টার কোম্পানি পাওয়া প্যাক হোল্ডিং লিমিটেড ও জাপানের কাজিমা কর্পোরেশনের মাধ্যমে। বর্তমানে প্রকল্পের পাইলিংয়ের কাজ চলছে। সব কিছু ঠিক থাকলে ২০২৪ সাল নাগাদ প্রকল্পটি দৃশ্যমান হওয়া শুরু করবে। মেগা প্রকল্পটির তদারকির দায়িত্বে আছে রাজধানীর উন্নয়ন কতৃপক্ষ (রাজউক)। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য মোট ব্যায় ধরা হয়েছে ৯৬ হাজার কোটি টাকা।
সূত্রঃ ডিফেন্স রিসাস ফোরাম।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published.