বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আরবী ফার্সী ধর্মীয় শব্দগুলোকে তদ্ভব বলে বানান বিকৃতি করে সাবেক মহাপরিচালক প্রমিত করন করার নামে।
কিন্তু তৎসম বা সংস্কৃতি থেকে থেকে আগত শব্দগুলোকে তার পৈত্রিক শব্দবলে কথিত প্রমিত করন করেনি ঐ জন্তুরা।
এখন প্রশ্ন হলো-তৎসম শব্দগুলোর অধিকাংশ শব্দই তো ফার্সী থেকে তদ্ভব হয়ে এসেছে। যেমন -বন্দে মাতরম দুটি শব্দই ফার্সী থেকে তদ্ভব হয়ে এসেছে। সেটা কি ঐ অজ্ঞরা জানে?
অথচ তারা রবীন্দ্র, নজরুল ,ড .শহীদুল্লাহর বানান রীতিতে ও হাত দিয়েছে। বাংলা ভাষা সংস্কারে হাত দিতে হলে অবশ্যই বাংলায় যে সব বিদেশী ভাষার শব্দ এসেছে সে ভাষার জ্ঞান থাকতে হবে।
বর্তমানে বাংলা একাডেমীতে সাবেক প্রমিত জন্তু ডিজি সহ একজন ও কি বহু ডাষাবিদ আছে?
অথচ তারা অজ্ঞতা চাপিয়ে দিয়ে পুরো জাতিকে অন্ধ বানিয়ে ফেলেছে। এ সব প্রমিত মুর্খ জন্তরা ড. শহীদুল্লাহর মত ভাষাবিজ্ঞানীর বানানে হাত দিয়ে চরম বেয়াদবি করেছে। বাংলা একাডেমী বানান অভিধানের ভুমিকাটি পড়লে সব স্পষ্ট হয়ে যাবে।

¤ বাংলা একাডেমীর প্রমিত বানান নামের অপকর্ম দেখুন

হজ্ব বানানটিকে হজ বানিয়ে বাংলা একাডেমীর প্রমিত ধারকরা আরেক অপকর্ম সম্পাদন করলো /
হজ্ব একটি আরবী ও ধর্মীয় শব্দ যে শব্দের শেষ হচ্ছে আরবী জ্বীম বর্ন; আরবী বর্ন মালায় জ্বীম; ঝাল; জোআ তিনটি কাছাকাছি সমুচ্ছারিত
বর্ন থাকায় অর্থ সঠিক রাখার জন্য জ্বীম বর্নটির
উচ্ছারনে আরবী মাখরাজ বা ব্যাকরন বিধিতে
জ্বীম বর্নের উচ্ছারনে জ্বীম বর্নটি চাপ প্রয়োগে উচ্ছারন বা জ্বীম এর বর্ন দৈত্ব উচ্ছারনে প্রকাশ করতে হবে: তাছাড়া হজ্জের জ্বিম বর্নটিতে তাশদিদ বা যু্ক্ত বর্ন, আরবী যুক্ত বর্নের উচ্চারনে বাংলায়ও যুক্ত বর্ন হতে হবে; না হয় শব্দের অর্থ সম্পুর্ন পাল্টে যাবে; এ কারনেই হজ্ব শব্দটির বাংলা উচ্ছারন লিখতে অবশ্যই জ্বীম বর্নের বাংলা প্রতি বর্ন উচ্ছারনে জ্ব বা জ্জ লিখতে হবে: নতুবা শব্দটির অর্থ সম্পুর্ন বিকৃত হয়ে যাবে: বাংলা একাডেমীর প্রমিত ধারকরা সে জ্ঞান রাখেন?
কথিত প্রমিত বানান নামে হজ্ব শব্দটিকে হজ বানান বানানোর অধিকার কি আছে প্রমিতদের?

যেটা যেখান থেকে এসেছে সেভাবেই চলতে হবে: জন্ম সূত্র না জেনে নিজস্ব বানাতে যাওয়াই মূর্খতা ও অন্ধত্ব জটিলতার কারন
বাংলা ভাষার পন্ডিত হতে হলে বাংলা ভাষায় মিশ্রিত আরবী, ফার্সী, হিন্দি, উর্দু, তার্কি ও ইংরেজী ভাষার মৌলিক জ্ঞান থাকতে হবে; বাংলাভাষার পন্ডিত ছাড়া কেউই বাংলা ভাষা সংস্কারে হাত দেয়ার কোন অধিকার রাখেনা! বর্তমান বাংলা একাডেমীতে বহুভাষাবিদ একজনও কি দুরবীনে খুজে পাবেন?

নামের বানান নিয়ে ও অজ্ঞতা?

বিশ্বের সকল বানান ব্যাকরনেই নামের বানান যে যেভাবে প্রচার করেছে সেটাই শুদ্ধতা।মানে কোন নামের বানান কখ্নো পরিবর্তন করা যাবেনা। অথচ কতিপয় মুর্খরা সেটাও করেছে। বাংলা এজাডেমী একটি নাম। সে নামের একাডেমীর ী কার কখনো পরিবর্তন যোগ্য নয়।তারপরও সেটাকে ি কার বানিয়ে চরম মুর্খতার পরিচয়
দিয়েছে বাংলা একাডেমী। এমন কি রবীন্দ্র নাথ ও নজরুলের নামের ীকারটিও পাল্টিয়ে দিয়েছে মুর্খরা।

মাহমুদুল হাসান নিজামী
লেখক, কবি, গবেষক, ইতিহাসবিদ, ১১২ টি গ্রন্থ প্রনেতা

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published.