“বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে কোভিড-১৯ বিস্তার রোধে দেশে চলমান বিধিনিষেধ (লকডাউন) আরও এক সপ্তাহ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

বাংলাদেশ II আর্লি-স্টার বার্তা কক্ষ:

ভারতে করোনাভাইরাসের ভয়াবহ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বিশেষজ্ঞরা আরও কিছুদিন বিধিনিষেধ বহাল রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। সে পরামর্শ আমলে নিয়ে সরকার আরও এক সপ্তাহ বিধিনিষেধ বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

বাংলাদেশে গত ১৪ এপ্রিল থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউনের চলমান কঠোর বিধিনিষেধের মেয়াদ এক সপ্তাহ বাড়িয়ে আগামী ৫ মে পর্যন্ত কার্যকর করা হবে৷

মঙ্গলবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন হতে পারে বলে জানিয়েছিলেন মন্ত্রী ৷ দোকানপাট ও শপিংমল সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চালু থাকার কথাও বলেন তিনি৷

শুরুতে লকডাউনে শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনা ঐএঊ অনুমতি দেওয়া হয়৷

উল্লেখিত সময় অফিস-আদালত ও গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। তবে শপিংমল রাত আটটা পর্যন্ত খোলা থাকবে। হোটেল-রেস্তোরার ক্ষেত্রে আগের নিয়ম বহাল থাকবে। বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে আগের যে সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।

গত শুক্রবারের প্রজ্ঞাপনে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দোকান ও শপিংমল খোলা রাখার নির্দেশনা থাকলেও ঢাকা মহানগর পুলিশ রোববার বলেছে, ঈদের আগে রাত ৯টা পর্যন্ত দোকান-শপিংমল খোলা রাখা যাবে বলে তাদের জানানো হয়েছে৷

লকডাউনের মধ্যে সব ধরনের অফিস ও পরিবহন বন্ধের পাশাপাশি বাজার-মার্কেট, হোটেল-রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে৷তবে উৎপাদনমুখী শিল্প কারখানাগুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ চালাতে পারবে৷

বাংলাদেশে গত পাঁচ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের জন্য চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করে দেশটির সরকার। পরবর্তীতে আরও দুই দফায় সেই মেয়াদ বাড়ানো হয়। এবার তৃতীয়বারের মতো বিধিনিষেধ বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিলো সরকার

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published.