নয় এপ্রিলের মৃত তিমি
৯ এপ্রিল সকালে কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকতে ভেসে আসে ১৫ টন ওজনের একটি মৃত তিমি। এর পরের দিন সকালে একই সৈকতে ভেসে আসে ১০ টন ওজনের আরেকটি মৃত তিমি।

বাংলাদেশ II আর্লি-স্টার বার্তা কক্ষ:

পুরুষ সঙ্গীর মৃত্যুর শোকে স্ত্রী তিমিটি আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করছেন সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আশরাফুল হক।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তিমিগুলোর শরীর পর্যবেক্ষণ, নমুনা সংগ্রহ এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ করেছেন সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আশরাফুল হক।

আশরাফুল হক এর মতে, মৃত তিমি দু’টি ‘দম্পতি’ এবং পুরুষ সঙ্গীর মৃত্যুর শোক সহ‍্য করতে না পেরে স্ত্রী তিমিটি আত্মহত্যা করেছে।

প্রসঙ্গত, তিমি অনুভূতি ও বুদ্ধি সম্পন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণী। জোড় বেঁধে সাগরে ঘুরে বেড়ানোর অভ‍্যাস তাদের।

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আশরাফুল হক প্রথম আলোকে বলেন, সৈকতে আসা প্রথম তিমিটি স্ত্রী এবং দ্বিতীয়টি পুরুষ ছিল। পুরুষ তিমির শরীরে পচন ধরেছে বেশি, মারাত্মক ধরনের জখমের চিহ্নও ছিল।

মৎস্য বিজ্ঞানীদের ধারণা, ১০ থেকে ১৫ দিন আগে বড় কোনো জাহাজের ধাক্কা খেয়ে পুরুষ তিমিটির মৃত্যু হয়েছে। জোয়ারের পানিতে ভেসে সৈকতে পৌঁছতে সময় লেগেছে। তাই এরর শরীর পঁচে গিয়েছিল।

তিমির আত্মহত্যার ঘটনার অনেক নজির রয়েছে। স্ত্রী তিমির শরীরে আঘাতের উল্লেখযোগ‍্য চিহ্ন নেই। শুধুমাত্র লেজের আগে পেটের দিকে পচে বিকৃত হয়ে গিয়েছিল।’

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published.