ইউরোপ ডেস্ক II আবুল কালাম আজাদ, ইংল‍্যান্ড প্রতিনিধি:
ব্রিটেনে ৭০ হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নিল করোনায়। বাংলাদেশী অনেক ঘরে করোনা রোগী, সবার মধ্যে আতংক।

কভিড-১৯ বা করোনাভাইরাস মহামারিতে আক্রান্ত হয়ে ব্রিটেনে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৭০ হাজার ১৯৫ জন মানুষ যা অফিসিয়াল ভাবে জানানো হয়। প্রতিদিন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। কে যে কখন আক্রান্ত হবেন? কখন মারা যাবেন? সেই আতংকে আতংকিত বাংলাদেশী কমিউনিটির মানুষ।

শুক্রবার সরকারী কোভিডের মৃত্যুর সংখ্যা ৭০,০০০ ছাড়িয়ে গেছে, কারণ ক্রিস্টমাসের দিনেও এই ভাইরাসে আরও ৫৭০ লোক মারা গেছেন।

বৃটেনজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে নতুন ধরণের করোনা ভাইরাস। নতুন রূপের এই করোনার প্রাদুর্ভাবে মহা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে বৃটেন। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, করোনা ভাইরাসের এই নতুন স্ট্রেন আগের চেয়ে ৭০ শতাংশ বেশী সংক্রামক। ইতিমধ্যে লন্ডন সহ বেশীরভাগ এলাকা কঠোর বিধিনিষেধ টিয়ার-৪ এর আওতাভূক্ত করা হয়েছে। কিন্তু সেটি পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন চিকিৎসাবিজ্ঞানীসহ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সংশ্লিষ্টরা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দ্রুত বিস্তারকারী নতুন ধরণের ভাইরাসকে আগুনের সাথে তুলনা করেছেন। ইংল্যান্ড “‘আগুনে পোড়া’” থেকে বাঁচাতে পরিপূর্ণ জাতীয় লকডাউনের আহ্বান জানিয়ে ইউনিভার্সিটি কলেজ অফ লন্ডনের (ইউসিএল) অপারেশনাল রিসার্চের প্রফেসর ক্রিস্টিনা পেজেল তিনি বলেছেন, “পরিস্থিতি অবিশ্বাস্যরকম বিপজ্জনক”।

বিশ্বে প্রথম ভ্যাকসিন অনুমোদনকারী দেশ হিসেবে বৃটেন অবশ্য ইতিমধ্যে ৫ লক্ষাধিক মানুষকে ফাইজার/বায়োএনটেক ভ্যাকসিন প্রয়োগে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু রূপান্তরিত কোভিড-১৯ ভেরিয়েট নিয়ন্ত্রণে তা কতটুকু সক্ষম হবে? এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভ্যাকসিনেও ভরসা পাচ্ছেন না ব্রিটেনের জনসাধারন । তবে সরকার আপ্রান চেষ্টা করছে। এবং সরকারি বিধিনিষেধ বা নিয়মনীতি গুলি মেনে চলার জন্য সকল নাগরিক দের বার বার অনুরোধ করা হচ্ছে।

বিধিনিষেধ গুলো:

ঘরে থাকুন, বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বেড় হবেন না। কোন বাসায় যাবেন না এবং কাউকে আপনার বাসায় আসতে দিবেন না।

বারবার হাত পরিস্কার করুন।

মুখে মাক্স ব্যবহার করুন।

গ্যাদারিং পরিহার করুন।

সামাজিক দূরুত্ব বজায় রাখুন।

নিজে সুস্থ্য থাকুন , অপরকে সুস্থ্য থাকতে সাহায্য করুন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন, আমিন।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published.