ছবি: রয়টার্স
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলমান আন্দোলনের মধ্যে রবিবার দিনটি ছিল সব থেকে ভয়াবহ, পুলিশের গুলিতে নিহতের সংখ্যা ক্রমশই বাড়ছে। তাছাড়া বেশ কয়েকজন আহত বলে খবর প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

এশিয়া II আর্লি-স্টার অনলাইন ডেস্ক:

গত ফেব্রুয়ারী মাসের ১ তরিখে দেশটির সেনাবাহিনী নির্বাচিত নেত্রী অংসান সুচীসহ বেশ কয়েকজন নেতাকে গ্রেফতার করে, দেশে জরুরী অবস্থার ঘোষণা করে। এর প্রতিবাদে শুরু হয় সেনা অভ্যুথান বিরোধী মিছিল।

মিয়ানমার এখন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে বলে টুইট করেন, দেশটির ক্যাথলিক কার্ডিনাল চার্লস মাং। এছাড়া রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, রবিবার সকাল থেকেই ইয়াংগুনের রাস্তায় পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে, এবং আন্দোলনকারীদের থামাতে টিয়ারশেল এবং স্ট্যান গ্রেনেড ছোড়া হয়।

এবং দেশটির দক্ষিণে দাউই শহরে পুলিশের গুলিতে নিহত হবার খবর পাওয়া গেছে। মায়ানমারের টেলিভিশন মায়ানমার নাও তে বলা হয়েছে মান্ডলেও শহরেও পুলিশের গুলিতে ২ আন্দোলন কারী নিহত হবার খবর প্রকাশ করে, এবিষয়ে পুলিশের কাছে জানতে চাইলে পুলিশের পক্ষ হতে কোন জবাব পাওয়া যায়নি।

জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস জানিয়েছে, ১ ফেব্রুয়ারির সামরিক অভ্যুত্থানের পর শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনীর হামলায় মিয়ানমারজুড়ে রবিবার কমপক্ষে ১৮ জন নিহত ও কয়েক ডজন আহত হয়েছেন।

দিনভর সারাদেশে বেশ কয়েকটি জায়গায় পুলিশ এবং সামরিক বাহিনী শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দমাতে শক্তি প্রয়োগ করে। জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিসের বিশ্বাসযোগ্য সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে – কমপক্ষে ১৮ জন নিহত হয়েছেন ও ৩০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।

মিয়ানমারের বৃহত্তম শহরটিতে স্ট্রাক গ্রেনেড, টিয়ারগ্যাস ও বাতাসের শটগুলি ব্যবহার করে ভিড় ভাঙতে ব্যর্থ হলে পুলিশ তাড়াতাড়ি বাহিনী থেকে বেরিয়ে যায় এবং ইয়াঙ্গুনের বিভিন্ন জায়গায় গুলি চালায়। সৈন্যরা পুলিশকে আরও চাঙ্গা করে।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published.