ঘুম জীবনের সাথে ওতোপ্রোতো ভাবে জড়িত একটি অংশ। তাই প্রতি বছর মার্চ মাসের তৃতীয় শুক্রবার বিশ্ব ঘুম দিবস পালিত হয়।

স্বাস্থ্য।। আফিয়া তাবাসসুম, বিশেষ প্রতিনিধি :

আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘অ্যাসোসিয়েশন অব স্লিপ মেডিসিন’ নামক প্রতিষ্ঠান দ্বারা অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ব ঘুম দিবস।এটি একটি বার্ষিক ইভেন্ট। এ বছরে প্রতিষ্ঠান এর মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো, ‘নিয়মিত ঘুম : স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ভবিষ্যৎ’।

সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে , বিশ্বের অন্তত প্রায় ১০ কোটি মানুষের পর্যাপ্ত ঘুমাতে পারেনা কিংবা ঘুম হয়না। এছাড়া প্রতিবছর ২ কোটি ২০ লাখ আমেরিকান সিটিজেন নিদ্রাহীনতায় ভোগেন।

আরও এক গবেষণায় আমরা জানতে পারি যে, যদি আমরা আমাদের ছুটির দিনে দুই ঘণ্টা বা বেশি ঘুমাই তাহলে দেহঘড়ি বা বডি ক্লক ৪৫ মিনিট বিঘ্ন করে। যার ফলে ছুটির রাতে ঘুম কম হয়, এর কারনে পরের দিনের যে কোন কাজে পরিশ্রান্ত মনে হয়, শরীর ও মন কোনটাই কাজের প্রতি মনযোগী থাকে না।

এ কারণে গবেষকেরা সপ্তাহের প্রত্যেক রাতেই আট ঘণ্টা করে ঘুমানোর পরামর্শ দেন ।

গবেষকেরা আরও পরার্মশ দিয়েছেন যে ছুটির দিন শরীরে ভিটামিন ‘ডি’ পাওয়ার জন্য ছয় থেকে আট মিনিট রোদে থাকার। এর কারণ হলো সূর্যের আলো বডিক্লক ঠিক রাখে।

ভিটামিন ‘ডি’ কম এর কারণে হাইপারটেনশন ডায়াবেটিস, ক্যান্সার ও অস্টিওপোরোসিস হতে পারে।

অস্টিওপোরোসিস হচ্ছে এমন একটি রোগ যা মানুষের হাড়ের ঘনত্ব ও ওজন কমিয়ে দেয়। যদিও হাড়ের আকার বাড়ে কিন্তু এর মধ্যে বহু খন্ডের সৃষ্টি হয়। হাড়ের ভঙ্গুরতাও বাড়ে।

২০০৮ সালে ‘ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অব স্লিপ মেডিসিন’ এর ওয়ার্ল্ড স্লিপ ডে কমিটি প্রথম বার বিশ্ব ঘুম দিবস পালন করে। এই কমিটির মূল উদ্দেশ্য হলো, ঘুমের অভাবে মানসিক ও শারিরীক ক্ষতির বিষয়গুলো সম্পর্কে মানুষকে অবগত করানো।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *