অভিবাসী দম্পতিদের পৃথক করার জন্য বিচারের মুখোমুখি ড্যানিশ মন্ত্রী
অভিবাসী দম্পতিদের অবৈধভাবে পৃথক করার অভিযোগে মঙ্গলবার ডেনমার্কের সাবেক এক অভিবাসনমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিচারকার্য শুরু হয়েছে। দেশটির অভিশংসন আদালতে (যা সচরাচর ব্যবহার করা হয় না) এই বিচার হচ্ছে।

অভিবাসী।। শাহারিয়া রহমান, প্রদায়ক :

২৬ জন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত এই বিশেষ আদালতে সাধারণত ডেনমার্কের সাবেক বা বর্তমান সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিচার করা হয়।

সাবেক অভিবাসন মন্ত্রী ইনগের স্টজবার্গ মানবাধিকার বিষয়ক ইউরোপীয় সনদ লংঘন করেছেন কিনা তা নির্ধারণ করবেন আদালত।

এই বিষয়ে আআইনের অধ্যাপক ফ্রেডেরিক ভাগে জানান যে, গত এক শতকেরও বেশি সময়ের মধ্যে ডেনমার্কে মাত্র ৩ বার এই আদালত বসেছে। ফলে সাবেক অভিবাসন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে করা মামলার বিচারকার্যকে ‘ঐতিহাসিক’ ঘটনা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

২০১৬ সালে স্টজবার্গ ২৩ জন দম্পতিকে পৃথক হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন, যেখানে নারীর বয়স ১৮ বছরের কম ছিল। যদিও দম্পতিদের মধ্যে বয়সের ব্যবধানও স্বল্প ছিল। পৃথক হওয়া নির্দেশনা দেয়ার ক্ষেত্রে প্রতিটি দম্পতির বিষয়াদি আলাদা আলাদাভাবে পরীক্ষা করা হয়নি।

এই বিষয়ে তিনি সংসদীয় কমিটিকে ‘মিথ্যা এবং বিভ্রান্তিকর’ তথ্য দিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। অবশ্য তার বিরুদ্ধে আনা এ সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ৪৮ বছর বয়সী সাবেক এই মন্ত্রী।

২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ডেনমার্কে অভিবাসন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইনগের স্টজবার্গ। বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তি হিসেবে তাকে জরিমানা করা হতে পারে।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *