বিয়ে হয়েছে মেয়েটির,
বারো বছর হলো পার।
সন্তানের মুখ হয়নি দেখা,
সকল দোষ নাকি তার।

কথায় কথায় খোঁটা মারে,
বন্ধ্যা বলে দেয় আঘাত।
অবলা মেয়েটি কেঁদে কেঁদে,
কাটায় দীঘল রাত।

শাশুড়ী এবার রায় দিলেন,
পাত্রী খুঁজো সবাই,
ছেলেকে আরেক বিয়ে দিয়ে,
বংশ প্রদীপ রক্ষা চাই।

বউয়ের অনুরোধে দু’জন,
চিকিৎসকের শরনাপন্ন হলো।
পরীক্ষা-নিরীক্ষায় অবশেষে,
ছেলেটির দোষ ধরা পড়লো।

সুর বদলিয়ে শাশুড়ী বলেন,
ছেলে মানুষের দোষ কি আবার?
মেয়ে হয়ে জন্মেছো সবর করে,
আল্লারে ডাকো বারবার।

খবরদার ঘরের খবর কখনো,
বাহিরে যেন না যায়।
স্বামীর মন জুগিয়ে চলো,
শান্তি চাইলে দুই জামানায়।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *