মাধবীলতার পাশে

এখন দেখতে দেখতে
নিজেকে ধুলো মাটির ভেবে উড়িয়ে দিই ডানা।
স্বচ্ছ দেখতে পাই জল, জলের উপর মানুষ, জীবন , আর জীবনের ভিতর স্বপ্ন ।
আনন্দ ভর্তি ক্ষুধা , জেগে ওঠে প্রাণে ।
হাওয়া বয়, গরম । দুপুর হয় প্রেম ।

আর ওই ঘোর দুপুরে তোমার শরীরের দগ্ধ ও ক্ষেতে আমি বৃষ্টিহীন এক , হতভাগ্য চাষা ।

তবু, ওই যে, বেড়ে ওঠা মাধবীলতার পাশে-
কে যে আরও গোপনে, মুখের উপর মুখ তুলে দিয়ে , ভালোবাসা সে যে কী, আরও কিছু বোঝাতে গিয়ে কলঙ্কের ঝড় তুলে ফেলে,
আমি তার সত্যিটি এখনও বুঝিনি !

বৃষ্টি লেখার কবিতা

তোমাকে লিখতে গিয়ে এঁকে ফেলি।
বৃষ্টির কবিতা ঝমঝমিয়ে নামে।
পঙ্ ক্তি ফোঁটার শব্দে জেগে ওঠা সুরে,
বাজে শ্রাবণ কিশোরীর গান, আর ছবি ।

ফলত আমি কোনও শ্রবণ ও দর্শনের ফারাক না বুঝেই লিখি, তোমাকে আঁকি ।
মেঘে মেঘে বয়ে যাই শ্রাবণ ও শরীরের স্রোত,
কত শতাব্দীর নদী পেরিয়ে আদিম অনন্ত থেকে অন্তিম সূর্যাস্তের দিকে ভোর…..

কবি পরিচিতি :
সুপ্রভাত মেট্যার জন্ম (২৭শে সেপ্টেম্বর ১৯৭৪) পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক থেকে দূরের একটি গ্রামে। শিক্ষা :বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক। তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ রয়েছে ৮টি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ‍্য কাব‍্যগ্রন্থ “রৌদ্র চন্দনের হলুদ বাড়ি”, যা ২০১৮ সালে কলকাতা বই মেলায় প্রকাশিত হয় সিগনেট প্রেস (আনন্দ পাবলিশার্স) থেকে।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *